WHAT IS MEMORY

।। স্মৃতির উৎস সন্ধানে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র ।।

                                                                    সংকলক—তপন দাস

        ‘‘আমাদের nerve-গুলি conducting wire-এর মত। Battery থেকে electric current যেমন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে, brain থেকে nerve fibres দিয়ে এই life current or vital current সমস্ত দেহে ছড়িয়ে পড়ছে। এই vital current এক রকমের subtle energy–র current ছাড়া আর কিছু নয়। তার conductor হচ্ছে nerve fibres. এই current চোখ দিয়ে, নাক দিয়ে, কান দিয়ে, হাত দিয়ে, পা দিয়ে, সারা গা দিয়ে, জিভ দিয়ে শরীরের থেকে নানা রকমে modified হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসছে। আবার এই current–এর সঙ্গে বাইরের জগতের ঘাত-প্রতিঘাতে nerve দিয়ে ভিতরের দিকে কতগুলি wave যাচ্ছে। তাহাই আমাদের বোধ বা perception.  সেগুলি ভিতরে গিয়ে brain cell–এ কতগুলি impression দিচ্ছে—Camera-র photographic plate–এ আলোর wave গিয়ে বাইরের একটা impression বা ছবি যেমনি করে আঁকে ঠিক তেমনতর। এই impression–গুলি যখন active হয়, তাকেই আমরা বলি স্মৃতি (memory).’’ (ঋত্বিগাচার্য্য কৃষ্ণপ্রসন্ন ভট্টাচার্য্যের দিনপঞ্জী, ১ম খণ্ড, পৃঃ  ৪১)

        “Universe-এ সূক্ষ্ম হইতে সূক্ষ্মতর energy-র প্রবাহ চলছেই। আর আমাদের brain cell-গুলি এই subtle energy-কে suck করে নেয় কিংবা accumulate করে—battery-র মত।”

(ঋত্বিগাচার্য কৃষ্ণপ্রসন্ন ভট্টাচার্য্য-এর দিনপঞ্জী, ১ম খণ্ড, পৃঃ ৪১ থেকে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের দিব্যবাণী)

        Brain-এর ওঁ layer, হ্রীং layer, ক্লীং layer প্রভৃতি আছে। সহস্রদল কমল মানে brain-এর complex-গুলি ভেঙে গিয়ে যে অবস্থা হয়, তার উপলব্ধি। (শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের দিব্যবাণী)

——  

               

Leave a comment