AAHARSHUDDHU

                        ।। রোগ-প্রতিরোধে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের দিব্যবাণী ।।

পংক্তি-ভোজন না করাই ভাল,
        যদি কোথাও করতে হয় —-
এতখানি দুরত্ব অবলম্বন করা উচিত
        যা’তে অন্যের হাঁচি,  কাশি,  থুতু
                নিঃশ্বাস বা বাতাসের সাথে
                  তোমাদের ভিতরও পরিবেষিত না হয়  ;

সব সময়ই
      সদাচারের সার্থক ব্যবহারে
              যতই দক্ষ হ’য়ে উঠবে —-
      দুষ্ট আক্রমণের হাতও
              ততই এড়িয়ে চলতে পারবে,
      ভাতই হো’ক,  লুচিই হো’ক,
      ডাল-তরকারী যা’ই হো’ক,
নাকে, মুখে,  গুহ্যদেশে (মলদ্বার)
              বা শরীরে হাত দিয়ে
       কাউকে পরিবেশন করতে যেও না,
       তা’তে হয়তো অন্যের ক্ষতি হ’তে পারে,
আর, সে-ক্ষতি
     তোমাতেও সংক্রামিত হবার সম্ভাবনা
                                                    ঢের বেশী  ;
নিজের বিছানা,  কাপড়,  বালিশ ইত্যাদি
                নিজেই ব্যবহার ক’রো,
অন্য কেউ ব্যবহার করতে হ’লে
       তোমার অব্যবহৃত জিনিসই দিও,
এবং পরে তা’ উপযুক্তভাবে
               পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ক’রে রেখো,
অন্যের বাসন ব্যবহার না করাই ভাল—
     করলেও উপযুক্তভাবে পরিশুদ্ধ ক’রে,
ব্যাধিমুক্ত নিকট-গুরুজন ছাড়া
              কা’রও এঁঠো-পাতে খেতে নাই,
এগুলো ছোট্ট জিনিস হ’লেও
        অসতর্ক চলনে চললে
                   খুবই ক্ষতিগ্রস্থ হবার সম্ভাবনা ;
খাওয়ার সমময় এমনতর শব্দ, ভঙ্গী
       বা রকম ক’রো না —-
             যা’তে অন্যের বিরক্তি বা ঘৃণা
                     উৎপাদিত হ’তে পারে,
এক হাতে খাচ্ছ, অন্য হাতে শিকনি ফেলছ—-
                     তা’ কিন্তু ভাল নয়কো,
তা’তে অন্যের ঘৃণা তো হ’তেই পারে 
                       নিজেরও খারাপ হ’তে পারে,
শিকনি যদি ফেলতেই হয় —-
        কাছে এমনতর
ব্যবহারোপযোগী পরিষ্কার ন্যাকড়া বা কিছু রেখো,
       যা’তে শিকনি ঝেড়ে
               হাত ধুয়ে
                    তুমি খাদ্যবস্তু গ্রহণ করতে পার,—-
               এটা মন্দের ভাল,

আর অভ্যাস থাকলে
      নিজে-নিজে একলা-একলা খাওয়াই উচিত ;
ছোট্ট কথা হ’লেও
      মেনে যদি চলতে পার,
অনেক সোয়াস্তি লাভ করতে পারবে আশা করি,
      আবার সব সময়ই লক্ষ্য রেখো—-
             শরীরের প্রতিষেধী শক্তি
                     যা’তে সম্বর্দ্ধিত হ’য়ে ওঠে,
এবং তা’ বেশী হ’লে
        এক-আধটু গোলমাল হ’লেও
                      রেহাই পেতে পার । ৮৮ ।

(‘স্বাস্থ্য ও সদাচার-সূত্র’ গ্রন্থ থেকে)
                                             

।। হত্যা বিষয়ে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের কাতর আবেদন ।।
‘‘তুলিস্ না, তুলিস্ না, ঐ ফুলটাকে তুলিস না। ব্যথা লাগে রে বড্ড।….. দুর্বাগুলি তুলিস না। মা’র পূজা ওতে হয় না। মা’র হাড় ভেঙ্গে কি মা’র পূজা হয়?……. হায়রে রাজার শাসন! মানুষগুলির উপর রাজার শাসন এত, দরিদ্র পশুগুলির উপর রাজার দয়া নাই? রাজা! তুমি না রাজা! তুমি না নরনারায়ণ! ভগবানের কাছে কি দুই? লাথি মার, লাথি মার। আবার ওই দক্ষযজ্ঞের মত করে সব ভেঙ্গে ফেল্। যেখানে হিংসা সেখানে আবার ধর্ম্ম কোথায়? ……. যে তন্ত্রের মধ্যে মা হয়ে সন্তানের রক্ত কেড়ে খায়. সে তন্ত্র তন্ত্রই নয়। …..ওতে সিদ্ধি হবে না—বাড়বে পৈশাচিকত্ব!’’ (ভাববাণী, একাদশ দিবস, ৬ই শ্রাবণ, ১৩২১)

** সনাতনী কথা **
।। মাছ-মাংস খাসনে আর/পেঁয়াজ-রসুন মাদক ছাড় ।।

“According to the Bible, the first people were vegetarians. The first two chapters of Genesis tell a story of man and animal being companions,and trees being the source of food. In Genesis chapter 1, verse 29, God commands man to only eat fruits and vegetables…..
Genesis 1:29
Then God said, “I give you every seed-bearing plant on the face of the whole earth and every tree that has fruit with seed in it. They will be yours for food.”
Ref. [Genesis 1:29]

 ** সনাতনী কথা **

।। মাছ-মাংস খাসনে আর/পেঁয়াজ-রসুন মাদক ছাড় ।।

“I think that the biological component of fish and flesh have a horrible effect on the body cells. It causes an abnormal excitation in our body. It accelerates the process of cell division. As a result of this, the body may get a transient nutrition but it becomes harmful in the long run.”

—by Shree Shree Thakur Anukulchandra

(Alochana Prasange, vol. 5)

** সনাতনী কথা **

।। মাছ-মাংস খাসনে আর/পেঁয়াজ-রসুন মাদক ছাড় ।।

“Animal food is harmful to the bliss. It weakens the nervous system. At least I think so. Alcohol consumption causes stimulation, the alcohol acts as a stimulant. It aggravates the hankering to have stimulant. Fish and Flesh are of the same type as I know.”

—by Shree Shree Thakur Anukulchandra

(Alochana Prasange, vol. 11) t;font-family:Soumili-Bengali-Unicode;color:#333333;background:white’>প্রভু যিশু বলেন, “তুমি হত্যা করিও না” ।

Leave a comment