।। গুরু পূর্ণিমার শ্রদ্ধার্ঘ্য ।।
নিবেদনে—তপন দাস
আমাদের গুরুদেব/ইষ্ট শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সত্যানুসরণ গ্রন্থে বলেছেন, গুরুই ভগবানের সাকার মূর্ত্তি…..।
আজ গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে সব গুরুর শিষ্যগণ গুরুদেবের প্রতিকৃতির সামনে নানা উপাচার সাজিয়ে গুরুকে সেবা করার জন্য, গুরুর তুষ্টির জন্য গুরু পূজা করবেন। সেই পূজা কিভাবে করতে হবে সেটাও বলে দিয়ে গেছেন আমাদের গুরুদেব পুরুষোত্তম শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র।
ভগবানের তুষ্টি প্রসঙ্গে শ্রীশ্রীঠাকুর বলেছেন—
“যা’রা তৃষ্ণার্তকে পানীয় দেয়,
ক্ষুধার্তকে অন্ন দেয়,
রুগ্নকে নিরাময় করে,
দুর্বলকে সাহায্যে সবল করে তোলে,
শোকার্তকে সন্দীপ্ত করে তোলে সান্ত্বনায়—
সুশীল-সৌজন্যে
ইষ্টানুগ সম্বোধি পরিচর্য্যায়,
গৃহহারা, আশ্রয়হারা অভ্যাগত যা’রা
তা’দিগকে যা’রা আশ্রয়ে সুস্থ
ও শ্রীমণ্ডিত ক’রে
ধর্মে অভিদীপ্ত করে তোলে,
যোগ্যতার যোগ্য অনুচর্য্যায়
আত্মনির্ভরশীল করে তোলে,
ঈশ্বরের সেবা করে তা’রা
প্রত্যক্ষভাবে।”
(সেবা-বিধায়না, ১৪২)
।। শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের দৃষ্টিতে বাস্তব ইষ্টপূজা ।।
ইষ্ট স্বার্থ ও প্রতিষ্ঠার অনুকূলে
প্রবৃত্তি ও চাহিদাগুলিকে নিয়ন্ত্রিত ক’রে
সত্ অর্থাত্ ইষ্টানুকূল জীবনবৃদ্ধিদ
যা’-কিছু চিন্তাকে
বাস্তবতায় পরিণত করবার প্রচেষ্টার সঙ্গে
যথাযথ সেবা ও যাজনে
পারিপার্শ্বিককে আকৃষ্ট ও উদ্বুদ্ধ ক’রে
প্রতি প্রত্যেককে ইষ্টে অনুরক্ত ক’রে তোলাই হচ্ছে
প্রকৃত ইষ্টপূজা।২৪
(পথের কড়ি)
তাঁর বলা অনুযায়ী চলনে চলে আমরা যেন নিত্যকর্মের মাধ্যমে গুরু পূজায় সার্থক হতে পারি।
সবাইকে জয়গুরু ও প্রণাম।