** “মরোনা, মেরোনা, পার তো মৃত্যুকে অবলুপ্ত কর।” **
(শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের দিব্যবাণী।)
।। জীবন-মৃত্যুর রহস্য ।।
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা ২য় অধ্যায়ে সাংখ্য-যোগে আত্মা সম্বন্ধে যে জ্ঞান আমরা পাই।
ন জায়তে ম্রিয়তে বা কদাচিন্
নায়ং ভূত্বা ভবিতা বা ন ভূয়ঃ।
অজো নিত্যঃ শাশ্বতোঽয়ং পুরাণো ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে ৷৷ ২০ ॥
অনুবাদঃ আত্মার কখনও জন্ম হয় না বা মৃত্যু হয় না, অথবা পুনঃ পুনঃ তাঁর উৎপত্তি বা বৃদ্ধি হয় না। তিনি জন্মরহিত, শাশ্বত, নিত্য এবং পুরাতন হলেও চিরনবীন। শরীর নষ্ট হলেও আত্মা কখনও বিনষ্ট হয় না।।
বাসাংসি জীর্ণানি যথা বিহায়
নবানি গৃহ্ণাতি নরোঽপরাণি।
তথা শরীরাণি বিহায় জীর্ণান্য
ন্যানি সংযাতি নবানি দেহী ৷৷ ২২ ৷৷
অনুবাদঃ মানুষ যেমন জীর্ণ বস্ত্র পরিত্যাগ করে নতুন বস্ত্র পরিধান করে, দেহীও তেমনই জীর্ণ শরীর ত্যাগ করে নতুন দেহ ধারণ করেন।
নৈনং ছিন্দন্তি শস্ত্রাণি নৈনং দহতি পাবকঃ ।
ন চৈনং ক্লেদয়ন্ত্যাপো ন শোষয়তি মারুতঃ ।। ২৩ ৷৷
অনুবাদঃ আত্মাকে অস্ত্রের দ্বারা কাটা যায় না, আগুনে পোড়ানো যায় না, জলে ভেজানো যায় না, অথবা হাওয়াতে শুকানোও যায় না।
অচ্ছেদ্যোঽয়মদাহ্যোঽয়মক্লেদ্যোঽশোষ্য এব চ। নিত্যঃ সর্বগতঃ স্থাণুরচলোঽয়ং সনাতনঃ ৷৷ ২৪৷
অনুবাদঃ এই আত্মা অচ্ছেদ্য, অদাহ্য, অক্লেদ্য ও অশোষ্য। তিনি চিরস্থায়ী, সর্বব্যাপ্ত, অপরিবর্তনীয়, অচল ও সনাতন।
অব্যক্তোঽয়মচিন্ত্যোঽয়মবিকাৰ্যোঽয়মুচ্যতে ৷৷
তস্মাদেবং বিদিত্বৈনং নানুশোচিতুমর্হসি ৷৷ ২৫ ৷৷
অনুবাদঃ এই আত্মা অব্যক্ত, অচিন্ত্য ও অবিকারী বলে শাস্ত্রে উক্ত হয়েছে। অতএব এই সনাতন স্বরূপ অবগত হয়ে দেহের জন্য তোমার শোক করা উচিত নয়।
(স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, পুরুষোত্তম উবাচ এতো সব তত্ত্ব জানা সত্ত্বেও আমরা মৃত ব্যক্তির আত্মার শান্তি কামনা করি সেটা কতটা যুক্তিযুক্ত?)
What is “DEATH POINT”?
শ্রীশ্রীঠাকুর অমনি বললেন—অশ্বিনীদা, regular সাধন যে করে তার আর মৃত্যুভয় থাকে না। সে জীবন্তে ম’রে দেখে, death point এত বেশী দূর নয় যে কিছুকাল regular সাধন করলে তাহা না feel করা যায়। কিন্তু যে তাহা একবার feel করেই আবার সাধন ছেড়ে দেয় তারও কিন্তু অসুখে ভুগে মরতে হয়। আর, যে তা’ feel করেও regular সাধন করতে থাকে, তার শরীরধ্বংসকারী অসুখ হলে ইচ্ছায় মনকে শরীর থেকে তুলে নিয়ে death point সহজে pass করে; বড় একটা কষ্ট পায় না—অভ্যাস রাখতে হয়। তবে একবারও যে জীবন্তে তা’ feel করছে সেও রােগে ভুগতে-ভুগতে সেই point-এর কাছে গেলে তার সেই সংস্কার জেগে ওঠে এবং সেও তখন তাতে concentrate করে ভাল idea-তে absorbed হয়ে (যথা সদ্গুরুধ্যান ইত্যাদি) দেহত্যাগ করে; ফলে সদগতি হয়। আর, যার অভ্যাস আছে, সে তাে কতবার death point অনুভব করে ফিরে আসছে, সে অসুখে বেশী ভােগে না; সে-রকম দেখলে তাে ঐ point-এ concentrate করে সদগুরুর ধ্যানে absorbed হয়ে শরীর ছাড়লে। Death-টা হচ্ছে। কর্মসংস্কারগত একটা idea-তে বেশী absorbed হ’য়ে এই ব্যক্তিত্ববােধ হারান। এই আমি অশ্বিনী রূপে যে আমিত্ব-বােধ এর সঙ্গে সম্বন্ধরাহিত্য, এই আমিত্বের সঙ্গে যে connecting links আছে তাহা cut off হয়ে যায়। যে idea-টা তকালে predominant থাকে তাতে absorbed হয়ে যেন তাহাই আমি—এইভাবে তন্ময় হয়ে এই আমিত্বকে বিস্মৃত হওয়া। একপ্রকার লয় আর কি। সাধকেরও লয় বহুবার ঘটবার মত হয়, উচ্চ-উচ্চ ধামে (plane-এ) যখন গতি হয়, তখন তাতে absorbed হয়ে লয় হয়। যে যত তীব্র সাধক, সে লয় তত রক্ষা করে-করে উচ্চ হতে উচ্চতর লােকে যায়। আর, যেখানে গিয়ে লয় এসে যায়, সেই তার খতম।
(অমিয়বাণী পৃঃ 106)
Psychical attachment বা ভক্তি যোগের মাধ্যমে সহজ ভাবে relax mood এ বডি stiff না করে মেরুদন্ড, ঘাড়, মাথা শক্ত না করে আজ্ঞা চক্রে বা তেসরা তিলে দুই ভ্রূর মাঝখানে একটু ভিতরের দিকে কোন pressure না দিয়ে নিঃশ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে মনস্থির করে খুব rhythmic ভাবে তালে তালে বীজমন্ত্র মানসজপ ও তদ্ বিষয়ক অর্থ ও ইষ্টস্বার্থ সহ ইষ্টকে একাগ্র চিত্তে ধ্যান করাটাই হচ্ছে শ্রীশ্রীঠাকুর প্রদত্ত রাজ যোগের সহজ প্রক্রিয়া। এর সাথে সদাচার খুব জরুরি। বিশেষ করে মানসিক সদাচার ও আধ্যাত্মিক সদাচার। মনে কোন হিংসা বিদ্বেষ প্রতিহিংসা, জিঘাংসা, পরশ্রীকাতরতা ইত্যাদি রাখা চলবে না। তাহলে মন চঞ্চল হবে ও ধ্যানে বিঘ্ন ঘটবে। মন একাগ্র ও স্থির হতে চাইবে না। brain cell ও nervous system এ pressure পড়বে। sub conscious layer এ অর্থাৎ মনের গভীরে প্রবেশ করার ব্যাঘাত ঘটবে। তাড়াহুড়ো করা যাবেনা। আর কি হবে, কি পাবো, এই ভাবনা রাখা যাবেনা। কে কি করছে, বা করছেন না, ওটা দেখতে গেলে চলবে না। মন বিকেন্দ্রিক হয়ে যেতে পারে। তারপর ষটচক্র ভেদ পঞ্চভূত তত্ত্ব দর্শন বিভিন্ন স্তরের বীজমন্ত্রের sound ও light ও অধিষ্ঠাত্রী দেবদেবী দর্শন, শব্দকে অনুসরণ ও অনুসন্ধান এই উচ্চ স্তরের ব্যাপারগুলি ক্রমে ক্রমে আসবে সাধকের সংস্কার ও সাধনার একাগ্রতা অনুযায়ী। তারপর “ধাম ধাম নিরখত চলে পাওয়ে নিজ ঘর বাসা।” এখন এইগুলি কখন কার হবে তা পরমপিতাই জানেন। এইগুলি ধীরে ধীরে হওয়া মানেই হচ্ছে তার মস্তিষ্ক কোষের ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষন। যাতে তার সহজ অন্তর্দৃষ্টি, দূরদৃষ্টি, ভবিষ্যৎ দৃষ্টির, সূক্ষ্মচিন্তা ও পরিণাম দর্শীতা বেড়ে গিয়ে বাস্তব ক্ষেত্রে সমাধানী বোধ কাজ করে। সূক্ষ জগৎ সম্বন্ধে একটি অনুভূতি আসে। এই রকম বৈশিষ্ট্য ও সংস্কার অনুযায়ী হয়। ঠাকুর যোগ ও তন্ত্রের যত রকম সাধন পদ্ধতি আছে তার অদ্ভুত সমন্বয় করে এই যুগে সবচেয়ে সহজ শ্রেষ্ঠ রাজ যোগের বিধান দিয়েছেন। যোগ ও তন্ত্রের সব কঠিন ও বিপদজনক পদ্ধতি কে বাদ দিয়ে। এটা যার যার নিজের অভ্যাসের ব্যাপার। কাউকে দেখানোর কিছু নেই। যার আয়ত্ত হবে তার নিজেরই লাভ সাথে তার দ্বারা অপরের ও প্রেরণা সন্দীপ্ত লাভ। সবারই ইষ্টানুগ সিদ্ধি লাভ হোক, তাঁর রাতুল চরনে এই প্রার্থনা জানাই।
নামধ্যান ও সাধনকালে স্মরণীয়।।
শ্রীশ্রীঠাকুর প্রসঙ্গতঃ বললেন– নামধ্যানে nerve-system ( স্নায়ুতন্ত্র) strengt-hened ( শক্তিশালী) ও abler (সমর্থতর) হয়। হঠাৎ মাত্রা খুব চড়িয়ে দিতে নেই। Gradually (ক্রমশ) বাড়াতে হয়।স্নায়ুবিধান শান্ত থাকে এমনতর খাদ্য খেতে হয়, যেমন butter (মাখন), milk (দুধ), honey (মধু), plantain (কলা)। Association-ও (সঙ্গও) তপস্যার অনুকূল হওয়া চাই। নামধ্যানে nervous system (স্নায়ুতন্ত্র) অত্যন্ত sensitive ও recepetive (সাড়াপ্রবণ ও গ্রহণমুখর) হয়, Just like a powerful Camera (ঠিক একটি শক্তিশালী ক্যামেরার মত) যা’ সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম জিনিষ ধ’রে নিতে পারে। আ. প্র. ১৫/ ১৭.২.১৯৪৯ ;
"Contraction, Stagnation, Expansion. এমনি ক'রে এক-একটা মণ্ডল তৈরী হ’চ্ছে। সোঽহংপুরুষ পর্য্যন্ত চৈতন্যের সৃষ্টি।
Integration of ‘I’. Universal consciousness of ‘I’.
জগতের যাবতীয় জিনিস তাই অমন ক’রে পরিবর্তন হচ্ছে। একটা আণবিক প্রসারণ—এর চরমেই সঙ্কোচন, তাই মৃত্যু ক্ষতি নয়। তাই জগতের প্রত্যেক-প্রত্যেক জাতির আয়ু-সংখ্যা ঐরূপে নির্দ্ধারিত হয়। চেতন আমির ধারা, তাই সবের ভিতর চেতনা। অখণ্ডের চেতনা প্রত্যেক শরীরের ভিতর। সব কুড়িয়ে আন্ দিকিনি একবার।
(ভাববাণী, ৬৩তম দিবস, ২৯শে কার্ত্তিক, ১৩২৪)
** জড় ও চৈতন্য matter আর spirit প্রসঙ্গে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের মতবাদ এবং তার সমর্থনে বিজ্ঞান। **
প্রশ্ন৷ তবে matter আর spirit—জড় আর চৈতন্য কি আলাদা নয় ?
শ্রীশ্রীঠাকুর । আমি বুঝি স্থূলের behind-এ যে কারণ আছে, যার effect স্থূল—তাই তার Spirit.*
*(“I make no difference between matter and spirit. They are differens degrees of fineness of the same thing. The one is becoming, the other through ascent and descent.”
‘My Philosophy of Industry’, P. 17-Henry Ford
“To see the universe from the physical or from the spiritual point of view is not considering something different, it is looking at the world by the two opposite ends.”
‘Pythagoras & The Delphic Mysteries’—Ednard Schare)
প্রশ্ন। যেমন বরফের পেছনে জল ?
শ্রীশ্রীঠাকুর। এই৷
প্রশ্ন। এগুলি তো স্থূলচক্ষে দেখা যায়— আমি এগুলির কথা বলিতেছি না। ইহার পশ্চাতে যাহা আছে—যেমন মানুষ মরিয়া কোথায় গেল—সেখানে সে করে কী, খায় কী ?—এসব সম্বন্ধে আপনার কোন অভিজ্ঞতা আছে কি?
শ্রীশ্রীঠাকুর। মরার আগে মানুষ কী ছিল তাহা জানিতে হইবে। মানুষটা আসিল কেমন করিয়া— মানুষ কতকগুলি idea-র সমষ্টি—সেই idea বাহিরের কতকগুলি জিনিসে attached হইয়া
পড়ে ৷
প্রশ্ন। কেমন?
শ্রীশ্রীঠাকুর ৷ ‘জায়া’ মানে পুরুষ যাহাতে জন্মে।*
(*”পতিঃ ভাৰ্য্যাং সম্প্রবিশ্য গর্ভো ভূত্বেহ জায়তে । জায়ায়াস্তদ্ধি জায়াত্বং যদস্যাং জায়তে পুনঃ ।।”
(মনু সংহিতা ৯।৯)
পুরুষ জন্মে কি করিয়া ? – যদি সে আবার জন্মিল, তবে বাঁচিয়া থাকিল কি করিয়া ?— তাহার মানেই হইতেছে পুরুষ যে-ভাবে অনুপ্রাণিত থাকে—জায়াতে যাইয়া তাহা মূর্ত্ত এবং প্রাণযুক্ত হয়। তারপর প্রসূত হইলে যে-ভাবে প্রাণ পাইয়া জন্মিল অর্থাৎ সন্তান—ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরই তাহার পারিপার্শ্বিক— বিশেষতঃ মা—তাহাকে নানাপ্রকারে সংঘাত করিতে লাগিল। ‘সংঘাত’ মানে impulse-এর প্রেরণা। তাহার ফলে মস্তিষ্কে ক্রমে-ক্রমে sen sation-এর ভিতর-দিয়া সেই impulse-গুলি recorded হইতে থাকিল। এমনি করিয়া ক্রমান্বয়ে শিশু শরীরে এবং ভাবে পুষ্ট হইতে লাগিল। তাহা হইলে যে-ভাবগুলি পিতা হইতে প্রাণ পাইয়া মায়ের ভিতর মূর্ত্ত হইয়া জন্মিল, পারিপার্শ্বিকের ভিতর হইতে নানা রকমের সংঘাতের ভিতর-দিয়া শিশু সেইগুলি সার্থক করিতে চলিল। এক-রকম ধরিতে গেলে তাহা সার্থক করাই যেন মানুষের life-এর mission—জীবনের ব্রত।**
(**”The mysterious fusion operates slowly but with perfect wisdom— organ by organ, fibre by fibre. Finally, a terrible pang compresses it in a voice; a bloody convulsion tears it from the mother soul and fastens it down into a throbbing palpitating body. The child is born, a pitiful image of earth, and he cries aloud with fright. The memory of the celestial regions has returned to the occult depths of the Unconscious; it will only be revived either by knowledge or by pain, by love or by death. Accordingly, the law of incarnation and disincarnation unfolds to us the real meaning of life and death.” —‘Pythagoras and the Delphic Mysteries’
“Terrestrial birth is death from the spiritual point of view and death is a celestial resurrection. The alternation of both lives is necessary for the development of the soul, and each of them is at once the consequence and the explanation of the other. Whosoever is imbued with these truths is at the very heart of the mysteries, at the centre of initiation.”
“I felt that order and progress were present in the mystery of life. I know that we continue to accumulate experience and continue to grow. (Aldeath). We are not all scrapped. The real thing, character, is not scrapped —the Queen Bee in the complicated hive which constitutes the individual. You may call it the master cell or you may call it the soul. The body by its instincts, the soul by its intuition, remember and utilise the experience of previous lives. But this is not essential; it is the essence, the gist, the results of experience that are valuable and remain with us.”
—Henry Ford)
(নানা-প্রসঙ্গে ১ম খণ্ড থেকে সংকলিত।)
প্রশ্ন। ‘মুক্তি’ মানে কী?
শ্রীশ্রীঠাকুর। ‘মুক্তি’ মানে annihilation নয়কো,— বৃত্তি-ভেদ। আর, যাঁর বা যাঁদের যতটুকু এই বৃত্তিভেদ হইয়াছে, তিনি তিনি বা তাঁরই ততটুকু fit for every serviceable position to the environment হবেন। আর, এই ভেদ হইয়াছে— এমনতর বৃত্তির সংস্পর্শে পারিপার্শ্বিক যতই attached হয়, ততই পারিপার্শ্বিকের বৃত্তিগুলি adjusted হয়, আত্মপ্রসাদ লাভ করে— তাই, তাঁদের কাছে surrender মানুষকে মহীয়ান্, গরীয়ান্, জ্ঞানবান্ ও প্রেমিক করিয়া তোলে! তাই, মুক্তির তাৎপর্য্যই এইখানে— অর্থাৎ environment আমাদিগকে তার মত ক’রে বিশ্লিষ্ট ও বিভক্ত করিতে পারে না। প্রত্যেকের হইয়াও তাঁর বৈশিষ্ট্য অটুট থাকে; তাই সুতোর চারিদিকে যেমন মিছরির crystal-গুলি দানা বাঁধে, environment-ও তাদের চারিদিকে অমনতর একটা দানা বাঁধিয়া থাকে— as if সব নিয়ে যেন একটা person. তাই, তাঁতে মানুষের কাছে ভগবত্তার উদ্বোধন হয়—তাঁকে ভগবান্ বলে। এই জন্যই বোধহয় বৈষ্ণবেরা বলেন—ভগবান্ই একমাত্র পুরুষ, তা’-ছাড়া আর-সব প্রকৃতি।
(নানা-প্রসঙ্গে ১ম খণ্ড থেকে সংকলিত।)
tapanspr@gmail.com










